শিরোনাম
বেঞ্জামিন রফিক : | ০৬:২২ পিএম, ২০২৫-০৫-০৬
বেঞ্জামিন রফিক: ৫ আগস্ট পতিত আওয়ামী সরকার পরবর্তী অন্তর্বতীকালীন ড. ইউনুস সরকারকে হটিয়ে কায়েমী স্বার্থ হাসিলে ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলসহ বাংলাদেশ বিরোধী চলমান পরিস্থিতিতে তথা কথিত হাইপ্রোফাইল মডেল মেঘনা আলমকে গ্রেফতারের মাধ্যমে ভারতে র’ কর্তৃক দেশের শ্রমবাজারকে বিপাকে ফেলার নগ্ম কুটকৌশলী চক্রান্ত ফাঁসের চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে। কয়েকটি গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া সুত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।
জানা যায়, সাবেক ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ’ মেঘনা আলম কূটনীতিকের কাছ থেকে ৫ মিলিয়ন ডলার দাবি করেছেন। এমন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ধানমন্ডি থানায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারে ওই কূটনীতিকের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
পুলিশের নথিপত্রের তথ্য অনুসারে, চাঁদাবাজি-প্রতারণার অভিযোগে ১৫ এপ্রিল পুলিশ বাদী হয়ে মেঘনা, সমিরসহ অজ্ঞাতনামা দু-তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করে। মামলার বাদী ধানমন্ডি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আবদুল আলীম।
প্রতারণার ওই মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মেঘনা আলম ও দেওয়ান সমিরসহ অজ্ঞাতপরিচয় ২/৩ জন একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা সুন্দরী মেয়েদের দিয়ে বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন বিদেশি রাষ্ট্রের কূটনীতিক/প্রতিনিধি ও দেশীয় ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করিয়ে কৌশলে বিভিন্ন উপায়ে অবৈধ পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের সম্মানহানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করে আসছে। দেওয়ান সমির কাওয়াই গ্রুপ (কঅডঅওও এৎড়ঁঢ়) নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিইও এবং সানজানা ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি ম্যানপাওয়ার প্রতিষ্ঠানের মালিক। এছাড়া ইতোপূর্বে মিরআই ইন্টারন্যাশনাল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল তার। সুন্দরী, আকর্ষণীয় ও স্মার্ট মেয়েদের তার প্রতিষ্ঠানে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বিদেশি কূটনীতিক ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের কাছে সহজে যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং দেওয়ান সমির তার ম্যানপাওয়ার ও অন্যান্য ব্যবসাকে অধিকতর লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করানোর লক্ষ্যে চক্রান্তের অংশ হিসেবে অসৎ উদ্দেশ্যে তার সহযোগী আসামিদের সহায়তায় ও অসৎ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কূটনীতিককে টার্গেট করে ব্ল্যামেইল করে বড় অঙ্কের টাকা চাঁদা হিসেবে দাবি করে এবং আদায় করে থাকে।
এই মামলায় মডেল মেঘনাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন বৃহস্পতিবার মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এ আদেশ দেন।
ভাটারা থানায় করা আরেকটি চাঁদাবাজির মামলায় ১১ এপ্রিল গ্রেফতার হন মেঘনার দোসর হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী সমির। এই মামলায় তাকে ১২ এপ্রিল পাঁচ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন আদালত।
শুনানিতে বলা হয়, এই আসামিরা অভিনব কৌশল অবলম্বন করে বিদেশি রাষ্ট্রদূতসহ অ্যাম্বাসিগুলোতে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের হানি ট্র্যাপে ফেলে বিপুল অর্থ বাগিয়ে নেওয়ার জন্য চক্র দাঁড় করিয়েছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতারণা করে আসছেন। সবশেষ সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন। এবং তার কাছে ৫ মিলিয়ন ডলার দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
কে এই মেঘনা: মেঘনার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তারা তিন দশক আগে বরিশাল থেকে ঢাকায় আসেন। মেঘনা ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ সম্পন্ন করেন। ২০২০ সালে তিনি ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন। মডেলিং ছাড়াও উদ্যোক্তা হিসাবে কাজ করছেন। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ফ্যাশন শো, বিজ্ঞাপন, ফটোশুট ও টেলিভিশন প্রোগ্রামে নিয়মিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজেকে ফ্যাশন দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠিত করেন।
জানা গেছে, মিস আর্থ বাংলাদেশ প্রতিযোগীতায় বিজয়ী হওয়ার পরে তিনি মিডিয়ায় খুব বেশি কাজ করেননি। মূলত ‘মিস আর্থ ফাউন্ডেশন’ ও নিজের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তবে তাকে নিয়মিত র্যাম্পে হাঁটতে দেখা গেছে।
মেঘনার ক্যারিয়ার শুরু হয় র্যাম্প মডেল হিসেবে। ধীরে ধীরে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ফ্যাশন হাউজের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান। তার অনন্য বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, ক্যামেরার সামনে সাবলীল আচরণ এবং প্রফেশনাল মনোভাব তাকে মডেলিং জগতে দ্রুত পরিচিতি এনে দেয়। আর এ পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে জড়িয়ে পড়েন অন্ধকার এক অনৈতিক জগতে। তারপর আর তাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
অন্যদিকে টার্গেট ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায়ের মূল দায়িত্ব ছিলেন মেঘনা আলমের অন্যতম সহযোগী মানব পাচার চক্রের হোতা মো. দেওয়ান সমীর (৫৮)। এ চক্রের সর্বশেষ টার্গেট ছিলেন সৌদি আরবের সদ্য বিদায়ি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ বিন ঈসা আল দুহাইলান। চক্রটি সৌদি রাষ্ট্রদূতের কাছে ৫ মিলিয়ন (৫০ লাখ) ডলার দাবি করেছিল। এ ঘটনায় রাজধানীর ভাটারা থানায় হওয়া মামলায় গ্রেফতার দেওয়ান সমীর ৫ দিনের রিমান্ডে আছে। ডিএমপির ডিবি হেফাজতে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাকে। এছাড়া মেঘনা আলমকে আটকের পর পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের আটকাদেশ দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন।
মেঘনা আলমের গ্রেফতারকান্ডের আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান রেজাউল করিম মল্লিককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবার ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ের এক আদেশে এই সিদ্ধান্তে কথা জানানো হয়। ডিবি প্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে মেঘনা আলমের বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করছেন পুলিশের অনেক কর্মকর্তা। এমনিতেই পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ভারতমূখী গোষ্ঠীটি দিশেহারা। এর উপর মেঘনা কান্ডে কয়েকটি চক্রের অস্বাভাবিক ছুটাছুটি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
সুত্রমতে, দেওয়ান সামির এই চক্রের বেশ কয়েকজনের নাম বলেছে। একই সাথে কোন কোন রাষ্ট্রদূতকে সুন্দরী নারী দিয়ে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে তাদেরও কয়েকজনের নাম বলেছে। যে তালিকায় কয়েকজন রাষ্ট্রদূতের নাম রয়েছে। এ ছাড়া এই চক্রটি ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ দ্বারা পরিচালিত বলে ইতোমধ্যে কয়েকটি অনলাইন মিডিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। তাতে দাবি করা হয়েছে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর এজেন্ট হিসাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তা এবং কয়েকজন সাংবাদিক মেঘনার মতো পতিতাদের দিয়ে হানিট্র্যাপ বানিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টায় লিপ্ত। তাদের টার্গেট বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে ধ্বস নামানো। বর্তমান অর্ন্তর্বতী সরকারের আমলে বিলিয়ন বিলিয়ন রেমিট্যান্স আসছে। যা দেশের অর্থনীতিকে ক্রমে চাঙ্গা করছে।
মডেল মেঘনাকে ব্যবহার করে সৌদির বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের কাছে পাঁচ মিলিয়ন ডলার দাবি করা হলে তিনি অনানুষ্ঠিকভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করার পর থলের বেড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার ‘র’ এর এজেন্টদের চিহ্নিত করা না গেলে আগামীতে দু’একজন উপদেষ্টা এবং কয়েকজন রাষ্ট্রদূতও এমনিভাবে ফেঁসে যেতে পারেন বলে অনলাইন মিডিয়ায় আভাস দেয়া হয়েছে।
ইতোমধ্যে রিমান্ডে জ্ঞিাসাবাদে দেওয়ান সামির এ সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিদায়ী সউদী রাষ্ট্রদূতের কাছে ৫ মিলিয়ন ডলার দাবি করা হয় কয়েকজনের বুদ্ধিতে। তাদের ধারনা ছিল, নিজের মান বাঁচাতে রাষ্টদুত শেষ মুহূর্তে পাঁচ মিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হবেন। কিন্তু ১ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হন তিনি। চক্রের হোতা কারা এ প্রশ্নের জবাবে সামির কয়েকজনের নাম বলেছে। যে তালিকায় আওয়ামী পন্থী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং কয়েকজন হাসিনার পদলেহী সাংবাদিকের নাম পুলিশ জানতে পেরেছে।
অন্যদিকে, মডেল মেঘনা আলমকে দিয়ে হানিট্র্যাপ সাজানোর নেপথ্যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ জড়িত বলে অনলাইন মিডিয়ায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা মেঘনাকে প্রথমে সউদী রাষ্ট্রদূতের সাথে প্রথম পরিচয় করিয়ে দেন। এর আগে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন অফিসেও মেঘনাকে নিয়ে গিয়েছিলেন ওই কর্মকর্তা। মেঘনা বেশ কিছুদিন ধরেই ভারতীয় দূতাবাসের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে চলেছেন। কয়েকবার ভারত সফরও করেছেন। ভারতের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও তাকে হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সাথে দেখা গেছে।
এসব কারণেই অনলাইন মিডিয়ায় জানানো হয়েছে, বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ধ্বংস করতেই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মেঘনাকে টোপ হিসাবে ব্যবহার করেছে। শুধু মেঘনা আলম নয়, তারা মেঘনার মতো সুন্দিরী নারীদের দিয়ে এই ট্র্যাপ অব্যাহত রেখেছে। যে ট্র্যাপে সরকারের দুজন উপদেষ্টা এবং বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রদূত ইতোমধ্যে পা দিয়ে ফেলেছেন। যে কোনো মুহূর্তে তারাও ফেঁসে যেতে পারেন। অনলাইন মিডিয়ায় সতর্ক করা হয়েছে, বাংলাদেশের গোয়েন্দারা যেন যতদ্রুত সম্ভব ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্টদের চিহ্নিত করে। তা না হলে তারা দেশের শ্রমবাজার ধ্বংসহ বিদেশে ইউনূস সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে পারে।
মেঘনা আলমকে আটকাদেশ দেয়ার পর কথিত মানবাধিকার সংগঠনগুলো যেভাবে মেঘলার পক্ষে বিবৃতি দিচ্ছে তাতে অনেকেরই সন্দেহ এটি ছিল আন্ত:রাষ্ট্রীয় যড়যন্ত্রের অংশ। ইউনূস সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চক্রান্ত। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র সউদী আরবে জনশক্তি রফতানি অব্যাহত আছে। বন্ধ আছে ব্রুনাই, দুবাই, কাতার, বাহরাইন, মালয়েশিয়াসহ সবগুলো দেশে জনশক্তি রফতানি। সউদী আরবের বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে যড়যন্ত্রকারীরা প্রায় ৩০ লাখ সউদী প্রবাসীর ভবিষ্যত অনিশ্চয়তায় ফেলার পাশাপাশি রেমিট্যান্সের প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। মেঘনার পক্ষ নেয়ায় তাই কথিত মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব দেখা গেছে প্রবাসীসহ নেটিজেনদের।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এটা নিশ্চিত ভারতপন্থী তথা আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের যড়যন্ত্র ছিল। তারা যে কোনো উপায়ে ইউনূস সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে মেঘনার পক্ষে বিবৃতি দিচ্ছে। মেঘনাকে যখন পুলিশ গ্রেফতার করতে যায় তখন সে যে পোশাকে ফেসবুক লাইভে এসেছিল, তাতে বোঝাই যায় সে প্রথম শ্রেণীর পতিতা। মানবাধিকার সংগঠনগুলো পতিতার পক্ষ নিয়ে তাদের গ্রহনযোগ্যতা হারিয়েছে। হাসিনা যখন হাজার হাজার মানুষের উপর গুলি চালিয়েছিল তখন কোথায় ছিলেন আপনারা? তখন আপানাদের মানবতা জাগ্রত হলো না কেন? গাজায় হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে খুন করছে ইসরাইলি বাহিনী। অথচ মানবাধিকার সংস্থাগুলো সেগুলো চোখে দেখে না। মেঘনার মতো প্রথম শ্রেণির পতিতাদের জন্য এদের মায়াকান্না দেখে অবাক হতে হয়।
বিশ্লেষক ও ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মূলত: ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের পর থেকেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমানের বাংলাদেশ নিয়ে নানান সুদূরপ্রসারী দীর্ঘমেয়াদী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ভারত তার কায়েমী স্বার্থ হাসিল করে এসেছে। ৭১এ স্বাধীনতা, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ নানান পরিস্থিতিতে সহায়তার চেয়ে বিনিময়ে অনেক বেশি সুযোগ হাতিয়ে নিয়েছে ভারত। পলাতক হাসিনার এক তোফায়েলকে ব্যবহার করে র’এর পরিকল্পনায় দেশের ভেতর দিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ, ফেনীতে ভারতীয় শিল্পাঞ্চলের নামে মূলত: গোটা দেশের অস্থিত্বকেই হুমকীর সম্মুখীন করে তুলেছে ভারত। সেই তোফায়েল মুক্তিযুদ্ধে কোথায় ট্রেনিং নিয়েছেন তা আজো অজানা। মূলত : দেরাদুনে তাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে রক্ষীবাহিনীর মতো একটি বিকল্প ভারতনির্ভর সেনাকর্মকান্ড পরিচালনায় ব্যবহার করা হয়েছে। একান্ত সেবাদাস হিসেবে পতিত পলাতক হাসিনা বিশ্বস্ততার সাথে ভারতের পদলেহী হিসেবে তার সেবা দিয়ে গেছে। “ভারতকে যা দিয়েছি তা ভারত সারাজীবন মনে রাখবে” এমন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হাসিনার অনুগত দেশের প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্তরে র’ এর এজেন্ট শক্তিশারী ভীত গড়ে নিয়েছে।
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র’-এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে একটি করদ রাজ্যে পরিণত করার লক্ষ্যে বিগত দেড় দশকে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট মন্ত্রী-এমপিদের বিছানা গরম করা সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কতিপয় ব্যক্তিত্ব, মডেল ও অভিনেত্রীদের পে-এজেন্ট হিসেবে নিয়োগের মাধ্যমে আন্ত:দেশীয় অনেক ইস্যু বাস্তবায়নের বিষয়টি এখন ওপেন সিক্রেট।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ৫ আগষ্ট ২০২৪ স্বৈরাচার হাসিনা সরকার পতনের পরও রাজেশ কুমার অগ্নিহোত্রী ঢাকায় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র’ এর স্টেশন চীফ হিসেবে ভারতীয় হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সিলরের কভারে কাজ করে চলেছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী রেজিম এই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে নগ্ন হস্তক্ষেপ করেছে বিগত ১৫ বছর এবং রাজেশের মতো আওয়ামী দোসররা এখনো দেশের অভ্যন্তরে ডিপ্লোম্যাটের ছদ্মাবরণে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজেশ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ করেছে বলে জানা গেছে।
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সূতার দাম বেশি করে মুনাফা করা রোধকল্পে সুতা আমদানী বন্ধ হওয়ায় ২ বিলিয়ন ডলারের বাজার ধ্বংস হওয়ায় মাথানষ্ট ভারতের এসব পে এজেন্ট হাই প্রোফাইল দেহাপসারিনী, র’-এর পে-এজেন্ট মডেল, অভিনেত্রী, নারী সাপ্লাইয়ার পুরুষদের অপতৎপরতা বন্ধ করে দেশের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিতকল্পে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সময়ের দাবী।
নিজস্ব প্রতিবেদক :: : ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে অস্থিরতা কোনোভাবেই কমছে না। গত রোববার আবারও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যাল...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দুই মাস দায়িত্ব পালনের পর এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত স...বিস্তারিত
চট্টগ্রাম ব্যুরো : : চট্টগ্রাম নগরের ফয়’স লেক চিড়িয়াখানার প্রবেশমুখে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে মোহাম্মদ রিপন ও...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ধোঁয়ার কুণ্ডলীর ভেতরে মানুষ খুঁজে পায় সাময়িক প্রশান্তি, কেউ খুঁজে পায় অভ্যাস, আর কেউ ক্লান্ত জীবনে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ঈদের সকাল গড়িয়ে দুপুর নামতেই দেশের অলিগলি, গ্রামের উঠোন আর শহরের মোড়ে মোড়ে জমতে থাকে কোরবানির পশুর...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited